Take a fresh look at your lifestyle.

সমাজ গঠনে আমরা

317

 

বিশ্বে যা কিছু মহান সৃষ্টি চির কল্যানকর
অর্ধেক তার আনিয়াছে নারী অর্ধেক তার নর।”
নারী ও পুরুষের পারস্পারিক নির্ভরশীলতাই সৃষ্টির বৈশিষ্ট। উভয়ের সযোগীতায় আসে সমৃদ্ধি, বিরোধ বা সর্বনাশ। সমগ্র পৃথীবির জনসংখার প্রায় অর্ধেকই নারী। জাতীয় উন্নতির কাজ নারীকে বাদ দিয়ে কখনো সম্ভব নয়। সমাজ সংস্কারে নারী অনন্য ভূমিকা পালন করছে। সাহিত্য-বিজ্ঞানেও নারীর অসামান্য অবদান রয়েছে। অর্থাৎ শিক্ষা-দীক্ষায়, জ্ঞানে-প্রজ্ঞায় নারী সমাজ পিছিয়ে নেই। দেশ বা জাতী গঠনে নারী সমাজকে যদি পেছনে ফেলে রাখা হয় তবে সে জাতী কখনোই উন্নতি করতে পারবে না।

নারীর ভূমিকা পালনের সূত্রপাত হয় শান্তির নীড় হিসাবে খ্যাত ছোট্ট গৃহকোন থেকে। প্রথমেই সে জাতীয় সম্পদ গড়ার দায়িত্ব হাতে নিয়েছে। সম্পদ হল সন্তান। মা’ই হচ্ছেন সন্তানের সর্বশ্রেষ্ট শিক্ষক। বিক্ষাত ব্যক্তিত্ব নেপোলিয়ান বলেছেন-আমাকে একজন শিক্ষিত মা দাও আমি তোমাকে একটি শিক্ষিত জাতী দেব। ”
গৃহের শিক্ষা থেকেই শিশুর ভবিষ্যৎ জীবন নিরোপিত হয়। শিশুর গৃহ শিক্ষার মধ্য দিয়েই ভবিষ্যৎ জীবনের কর্ম তৎপরতা বিকশিত হয়।
প্রত্যেক নারীই কোন না কোন পরিবারের মানুষ গড়ার কারিগর। শুধু এই মহান দায়িত্ব পালনের সময় খেয়াল রাখতে হবে, সন্তান যেন মিথ্যেবাদী না হয়, সুদ, ঘুস,জুয়া, ব্যভিচার, মদ, বেহায়াপনা, বিবেক বিক্রি, পারস্পারিক সংঘাত, মামলাবাজী ইত্যাদি কাজে লিপ্ত না হয়।
নারীর জীবন শুধু রান্না, সেলাই আর ঘর-গৃহস্থালীর কাজের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। বরং সে মানুষ গড়ার কারখানায় দায়িত্বশীল। আমাদের এই পবিত্র পদের মর্যাদার কথা সকলের বুঝতে হবে।
নারী সমাজের হাতে যেমন পরিবারের চাবি থাকে তেমনি জাতীয় জীবন গঠনের মূল চাবিকাঠি হিসাবে নারীকে আখ্যায়িত করলে ভুল হবে না। সচেতন নারীই সমাজকে সুযোগ্য সন্তান উপহার দিয়ে থাকে। শুধু সংসারেই নয় , নারী এখন অফিস- আদালত, ব্যবসা-বানিজ্য , কল-কারখানায় কাজ করছে। নারীরা এখন ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার,শিক্ষক, পুলিশ অফিসার, বিমান চালক। রাষ্ট্রপরিচালনায় নারী অসামান্য অবদান রেখেছে। জাতীয় জীবনের সর্ব ক্ষেত্রেই আজ নারীরা কাজ করছে।

 

দিল আফরোজ রিমা – কবিও সাহিত্যিক ।  

Leave A Reply

Your email address will not be published.