শিরোনামটি আমি দেশ বিদেশের কিছু মানুষ কে নিয়েই জরিপ করেছি। যারা এক সময়ে জাতীয়তাবাদের আদর্শে বিশ্বাস করতো। এখন করে না ।
না করার বহু কারণ আছে ,যার মধ্য জুলাই গণঅভ্যুত্থান অন্যতম।
ব্যাংকখেকোদের ‘সুরক্ষা কবজ’ ও আইনি তামাশা ।
যে দেশের মানুষ রাজপথে রক্ত দিয়ে স্বৈরাচার হটিয়েছে একটি শোষণমুক্ত অর্থনীতির আশায়, সেই দেশেই এখন মঞ্চস্থ হচ্ছে ‘লুটেরা পুনর্বাসন’ নাটক।
মানবাধিকার কমিশন আইন।
সালাহউদ্দিন সাহেবের সন্তান, মির্জা আব্বাসের ছেলে, আমীর খসরু মাহমুদের ছেলে বা শিক্ষা উপমন্ত্রীর স্ত্রীর—এদের কি সত্যিই এত প্রয়োজন ছিল ক্রিকেটে? নিরপেক্ষ কিছু মানুষকে দায়িত্ব দেওয়া যেত। তারা সুষ্ঠু নির্বাচন আয়োজন করত, এবং নির্বাচনে বি এন পির লোকজনই হয়তো জয়ী হতো। কিন্তু বিষয়টি অন্তত ভালো দেখাত।
আরও অনেক কারণ তো আছেই।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আরেকটা জরুরি কথা বলি,শেখ হাসিনার পুত্র জয় দেড়যুগ আগে এতটা ভারসাম্যহীন,বিকারগ্রস্ত ছিলো না। কিন্তু আওয়ামী লীগের এক শ্রেণির দালাল তেলবাজরা তাকে এতটাই অযৌক্তিক প্রশংসার মধ্যে রেখেছিলো—কখনো ফেসবুক, গুগল, ইউটিউবের আবিষ্কারক বানিয়েছে—যে শেষ পর্যন্ত এই অতিরঞ্জিত তোষামোদই তাকে বাস্তবতা থেকে দূরে সরিয়ে দিয়েছে।
তাকে পুরোপুরি মাথা খারাপ বানিয়ে ছেড়েছে।
একই ভুল বিএনপিতেও শুরু হয়ে গেছে জাইমা রহমানকে নিয়েও । যদি একই ধরনের তেলবাজি শুরু হয়, একেই পরিণতি হওয়াটা অস্বাভাবিক হবে না ।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জনাব তারেক রহমান, আপনার উচিত এসব বিষয়ে নজর দেওয়া। কারণ যখন আপনি পুরোপুরি বুঝতে পারবেন, তখন হয়তো অনেক দেরি হয়ে যাবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী পরিশেষে বলবো আপনি আর যাই হোন শেখ হাসিনার চেয়ে বেশি স্বৈরাচার হতে পারবেন না ।এত যোগ্যতা বা এত মেধা আপনার নেই।
রিয়াজ আহমেদ – ফ্যান্স প্রবাসী, কবি,সাহিত্যিকও সংগঠক।






