বিশ্বাস করেন আপনি, যদি দশটা ধর্ষণ মামলার ফাঁসির রায় কার্যকর হয়, আর সেটা খুব ভালোভাবে মিডিয়া কাভারেজ পায় তাহলে এদেশে ধর্ষণ কমিয়ে নিয়ে আসবে ছেলেদের মায়েরা নিজ দায়িত্বে ।
ইতিমধ্যেই এই ধর্ষক ফাঁসির রায় আর তার মা সোনা ময়না বলে কান্নার জন্য ভাইরাল হয়ে গেছে। জানিনা রায় কার্যকর কোনদিন হবে কিনা! তবে এটা ২০২৫ সালে ১৬ জুনের ঘটনা। ঘটা করে প্রচার করা হচ্ছে ২৯ কার্যদিবস তা আসলে চার্জশিট জমা দেওয়ার পরের কাহানী, ধর্ষণের ২৯ কার্যদিবস পর না।
আমাদের মায়েরা যেভাবে আমাদের আগলে রেখেছেন চোখে চোখে, আমরা আমাদের কণ্যা শিশুদের যেভাবে আগলে রাখি আর ছেলেদের মায়েরা এখন এইসব বিষয়ে যেমন গায়ে হাওয়া লাগিয়ে ভেসে থাকে বসুন্ধরাতে
তখন আর থাকবে না।
‘বেটাছেলে ওসব একটু আধটু সমস্যা থাকবেই ‘…
এসব নোংরা বয়ান মুহূর্তেই সমাজ থেকে হাওয়ায় মিঠার মত বাতাসে মিলিয়ে যাবে।
তখন তারাও মেয়ে শিশুর মত ছেলে সন্তানটিকেও চোখে চোখ রাখতে শিখবে, নাহলে কল্লা যাবে সেই ভয় তো আছেই। আর কিছু কুলাঙ্গার তো আছেই যাদেরকে কোনভাবেই আটকানো সম্ভব না। তাদের জন্য সর্বদা প্রস্তত থাকবে ফাঁসির মঞ্চ।
এই যে ধর্ষক ছেলেটার মা, তাকে দেখে আরো ১০টা মা সাবধান হবে , মা হিসেবে কেউ কোনদিনই এটা দেখতে ভালোবাসবে না যে ন’মাস যাকে পেটে রেখেছে তাকে ফাঁসির দড়িতে ঝুলে যেতে দেখতে।
মা হিসেবে মায়ের জন্য আমার কষ্ট লাগছে!
সুমেরা জামান – সাহিত্যিক ও সমাজ বিশ্লেষক।
