সেজুঁতির প্রজ্বলিত দীপশিখা জ্বালিয়ে যতই চেষ্টা
কর আঁধার দূর করতে পারবে না । আঁধার একাকি দূর করা যায় না ।
এজন্য পাশে দরকার অভয়ারণ্যে ভরসা পাওয়া
বলিষ্ঠ এক বিশ্বাসকে।
তোমাকে চিনেছি সেই কত কাল থেকে–
কবিতার আঙ্গিনায় লোকেদের ভিড়ে, কখনো ছায়াঘেরা অরণ্যের
পাখিদের মিলন মেলায়, গোত্র বর্ণ পর্বে ব্যবচ্ছেদ
করেছ হাজারো পাখি । তুমি চিনেছ প্রকৃতির বুকে
ডানা মেলা পাখি,
আমি চিনেছি তোমাকে।
একই চেনা আঙ্গিনায় একঘেয়েমি জীবন আর কতকাল, আর কত ! মনগহীনে এখন শুধুই অবসাদ ।
এখানে তোমায় মানায় না ।
আমার সাথে যাবে, যাবে আমার সাথে ঐ দূরে পাহাড় চূড়ায়!
যেখানে কেউ যেতে পারে না সেখানে হবে নব আনন্দের অগ্নিস্ফুরণ ।
আলীকদমের মেঘের রাজ্যের আচমকা এক রাশ
মেঘ এসে যখন ছুঁইয়ে দেবে তোমাকে
তুমি রাঙিয়ে যাবে
আধরে গোলাপ ফুটবে
শিহরিত হবে বার বার ।
আকাশ ছোঁয়া নির্জন পর্বতচূড়া মুখোমুখি বসিবার
শুধু তোমার আর আমার।
তুমি বসবে দখিনের চূড়ায় সাদা পায়রার পালকে
আমি বসবো উত্তরের চূড়ায় শ্বাপদসংকুল পরিবেশে।
দুইয়ের মাঝে বয়ে যাবে গভীর গিরিখাদ ভয়াল স্রোতের টানে।
ইচ্ছে হলে পাখায় ভর করে এ চূড়ায় আসতে পার
কোনো মানা নেই ।
যদি বিপদ আসে দু’হাতে ঠেলে সুখের পানশালায় মোদির আবেশে বেহুঁশ করে দেব ।
এই ক্ষমতা স্রষ্টা শুধু পুরুষকে দিয়েছেন ।
শেখ তৈমুর আলম- কবি,সাহিত্যিক ও সংগঠক – রাজশাহী।
