আমি বরাবরই অনলাইনে কেনাকাটা অপছন্দ করি।
তবুও ভুল করেছি দফায় দফায়।
গত পরশু নাহিদ ওয়ার্ল্ড – ইলিশ মাছের সার্ভিস চোখে পড়ে।
৬ পিচ ইলিশ ৩০০০/- পরিমাণ ৬ কেজি।
ডেলিভারি সার্ভিস ৬৫০/- দিয়ে এড্রেস দিই।
তারপর জোচ্চুরি শুরু হয়।
জানানো হয় চার্জ দিয়ে কোর্ড বলতে হবে ডেলিভারিম্যানকে।
দিলাম ৩০০০/-
ওপার থেকে কথা হচ্ছে বিকাশ খরচ দেননি- দিলাম ৬০/-।
এরপর চোর নাহিদ বলে,
হয়নি- এভাবে হবে না, বিকাশ খরচ সহ একবারে টাকা দেন- ডেলিভারিতে ৩০৬০/- ফেরত দেয়া হবে।
দিলাম আবারও ৩০৬০ টাকা।
উনি এবার কিছুটা রাগ করে বললো, বিকাশ খরচ ৩০৫৫/-
আপনি এভাবে দিয়েন না।
শিক্ষক মানুষ ভুল করেন কেন।
ডেলিভারিতে ৬০১২০/- ফেরত দেয়া হবে। আপনি ৩০৫৫/- দেন, দ্বিতীয় বার বুঝতে পেরেছি চোরের মতিগতি।
তবুও এবার শেষ ভুলটা করলাম – দিলাম ৩০৫৫/-
এবার বানানো কোর্ড দিলো কিন্তু সেটাও না ভুল।
এই মৎস ব্যবসায়ী ইতর চোরকে মোট এই ৬ কেজি মাছের জন্য দিলাম ৯৮২৫/-
এরপর আমার বক্তব্য হলো!
আপনার পার্সেলের টাকা কেটে নেন।
সার্ভিস ফ্রিও নেন
বাকি টাকা ফেরত দিয়েন।
আমি দিয়েছি গতকাল = ৬৫০/-
আজকে -৩০০০+৬০= ৩০৬০/-
আবারও দিয়েছি= ৩০৬০/-
ভুল হয়েছে প্রমাণ করে
আবারও দিয়েছি= ৩০৫৫/-
মোট= ৯৮২৫/-
আমার যতটুকু হক
আমাকে ফেরত দিলে কৃতজ্ঞ থাকবো।
চোরের বাচ্চা তবুও তর্ক করছিল।
আল্লাহ আমাদের এসকল বাটপার শুয়োর স্বরূপ জানোয়ারদের থেকে রক্ষা করুন।
নিজস্ব রিপোর্টার- মিজান – সহকারী সম্পাদক, চেতনা বিডি ডটকম।
