কে আমাকে দুঃখ দিলো– কেনোই বা এতো
দুঃখ দিলো,
কে আমার স্বপনের ঘর সযতনে আপন করে
ভেঙে দিলো– ঘর ছাড়ালো,
কে আমার মনের বনে হাসতে খেলতে সোহাগ
করে আগুন দিলো– বন পোড়ালো— !!
কার দুঃখে কেমন করে ঝরে গেলো অকারণে
অনাদরে সদ্যফোটা একটি বকুল,
কার আঘাতে প্রতিবছর নিয়ম করে কৃষ্ণচূড়া
বিনম্র শ্রদ্ধায় শোকদিবস পালন করে,
তার শাখায় শাখায় ধারণ করে– ফুটিয়ে তোলে
রক্তাক্ত ফুল—!!
কী জানি ভাই, কে জানে আমার এমন দুঃসহ
দুঃখ — আমি ছাড়া কেউ জানে না তা এটাই
মুল ও মুখ্য,
তবে, অন্তর জানে হৃদয়পুরে– চন্দনকাষ্ঠে
প্রতিনিয়ত অন্তলোকে জীবন্ত এক হৃদয়
পোড়ে—-!!
বলবো আমি তাদের কথা তাঁর কাছে– যদি
হয় দেখা কোনোক্রমে পরলোকে–
যিঁনি আমাকে সৃষ্টি করলো জীবন দিলো,
ভাগ্য দিলো হৃদয় দিলো– এতো দুঃখ দিলো
যাঁরা ইহলোকে— !!
নীল ইসলাম – কবি ও সাহিত্যিক।
